করোনাভাইরাস : তারাগঞ্জে কিস্তি প্রদানে বিপাকে নিম্নবিত্তরা

Published: Tue, 24 Mar 2020 | Updated: Tue, 24 Mar 2020

রংপুর সংবাদদাতা : সারা দেশের মতই রংপুরের তারাগঞ্জে করোনা ভাইরাসের কারণে ২৫ শে মার্চ থেকে ৩১ শে মার্চ পর্যন্ত সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক রেস্টুরেন্ট, চায়ের দোকান, বেকারী, কনফেকশনারী, ফুচকা-চটপটি ও ছোট বড় সকল প্রকার খাবারের দোকান বন্ধ ঘোষণা করা হলেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যাংক, এনজিও কিস্তি বন্ধ ঘোষণা না করায় বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

তাদের দাবি যদি সকল প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অফিস যানবাহন বন্ধ হতে পারে তাহলে সাধারণ মানুষকে ঘরে বন্দি ঘোষণা করার আগে বেসরকারি ব্যাংক, এনজিও’র কিস্তি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন এ সকল সাধারণ ঋণগ্রহীতারা। কিস্তি বন্ধ না হলে তারা টাকা যোগাড় করতে ঘরের বাহিরে কাজ করতে বাধ্য হবে এবং করোনায় আক্রান্ত হবে। 

সয়ার বারাপুর গ্রামের ভ্যান চালক নুর ইসলাম বলেন, হামার এলাকাত সউক বন্ধ হইচে, কিস্তি বন্ধ হওচে না। বাজারোত মানুষ নাই, সারাদিন কামাই হইচে একশো টাকা, কাইল মোড় কিস্তি আছে পাসশো টাকা। কুনঠে পাইম মুই এতুলা টাকা, হামাকতো বাইরোত যাবারে নাগবে।

তারাগঞ্জ বাজারের মুদি ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে বাজারে মানুষ না থাকায় বেচা কেনা ভাল না। তার উপর আবার কিস্তি, রাত পোহালে আটশ টাকা।

বাজারের বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদিন আফান বলেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষকে ঘরের বাহিরে বের হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করার আগে দেশের ঋণদানকারী সকল বেসরকারি ব্যাংক, এনজিও কিস্তি বন্ধের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি। এতে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ঘরের বাহিরে না গেলে করোনাভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাবে। 

ও/ডব্লিউইউ