সাতক্ষীরায় চাষিদের সফলতার গল্প ও উৎসাহ ভাতা প্রদান

Published: Fri, 14 Feb 2020 | Updated: Fri, 14 Feb 2020

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় মেন্টরিং প্রোগ্রাম এবং চাষিদের কারিগরী সেবা প্রদানে অবদানের জন্য লিড ফার্মারদের উৎসাহ ভাতা ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। নওয়াবেঁকী গণমুখী ফাউন্ডেশনের বাস্তবায়নে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের কারিগরী সহযোগীতায় পেইজ প্রকল্পের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি ) সকালে সাতক্ষীরা এল্লারচর চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামার অডিটরিয়াম হলরুম প্রাঙ্গনে “উন্নত পদ্ধতিতে কার্প-গলদা মিশ্রচাষ ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি” শীর্ষক ভ্যালু চেইন উন্নয়ন উপ-প্রকল্পের আওতায় ফাউন্ডেশনের সমন্বয়কারী এস এম মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে দিনব্যাপী এ কর্মসূচির সার্বিক কার্যাবলি সম্পন্ন করেন। প্রধান অতিথি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন এ অনুষ্ঠান।
 
সফলতার গল্প  শুনিয়ে চাষিরা বলেন, শিক্ষাই উন্নয়নের মূল সূত্র। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সঠিক ভাবে চাষ করে বুঝলাম প্রশিক্ষণ ছাড়া কোন চাষির সফলতা অর্জন অসম্ভব। সফল মাছ চাষের ক্ষেত্রে মাটি-পানির গুনগতমান পরীক্ষা ও সঠিক পোনা নির্বাচন অত্যাবশকীয় । তিন হাজার মিশ্র মাছ চাষিদের সমন্বয়ে গড়ে উঠা সাতক্ষীরা নওয়াবেঁকী গণমুখী ফাউন্ডেশন থেকে আমরা নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বর্তমানে সময় ও অর্থের অপচয় রোধ করে মাছ চাষের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে সফলতা পেয়েছি  ।  

অতিথিরা বলেন, একটি উন্নত পদ্ধতিতে কার্প-গলদা মিশ্র চাষ করে বাজারজাতকরণের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে ভ্যালু চেইন উন্নয়ন বিষয়ক প্রকল্পের আওতায় তিন বছর মেয়াদী এ এনজিএফ প্রকল্পের সমাপনীতে বর্তমান তিন হাজার চাষি । সকলকে এনজিএফ প্রকল্প যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে সেটি বাস্তবায়ন করার পাশাপাশি চাষের ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে ভাইরাস মুক্ত পোনা নির্বাচন ও বাঁধ মজবুত করে স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শে নিরাপদ মাছ চাষ ও বাজারজাত করতে হবে। 

ভ্যালু চেইন ফ্যাসিলিটেটর বাবু কুমার রায়ের সার্বিক সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফ্রজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির, খুলনা উপ-প্রধান নিবার্হী কনসালটেন্সি ইমরান খান, এল্লারচর চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, কলারোয়া উপজেলা  সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র  মৎস্য কর্মকর্তা তুষার কান্তি মজুমদার, কালিগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, আশাশুনি সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সেলিম সুলতান, সহকারী ভ্যালু চেইন ফ্যাসিলিটেটর জিএম ফারুক হোসেন, রবিউল ইসলাম, যাদব অধিকারী, জিকে বৈদ্য, এবিসিএফ রবিউল ইসলাম ও সফল চাষিবৃন্দ।

উল্লেখ্য, মেন্টরিং প্রোগ্রামে চাষিদের কারিগরী সেবা প্রদানে বিশেষ অবদান রাখার জন্য উৎসাহ ভাতা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। 

ও/ডব্লিউইউ