সাতক্ষীরায় মার্কেট লিংকেজ স্থাপন বিষয়ক কর্মশালা

Published: Wed, 12 Feb 2020 | Updated: Wed, 12 Feb 2020

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : ‌‌‌'উন্নত পদ্ধতিতে কার্প-গলদা মিশ্র চাষ ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের আয়বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি'  শীর্ষক সাতক্ষীরা নওয়াবেঁকী গণমুখী ফাউন্ডেশন বাস্তবায়নে ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে পেইজ প্রকল্পের আওতায় ভ্যালু চেইন উন্নয়ন উপ-প্রকল্প গুণগতমানের উপকরণ সরবরাহকারী ও মৎস্য ক্রেতাদের সাথে চাষিদের মার্কেট লিংকেজ স্থাপন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি ) বিকালে সাতক্ষীরা এল্লারচর মৎস্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নওয়াবেঁকী গণমুখী ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মশিউর রহমান কর্মশালার সার্বিক কার্যাবলী আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন করেন।

ভ্যালু চেইন ফ্যাসিলিটেটর বাবু কুমার রায়ের সার্বিক সঞ্চালনায় রিসোর্স পার্সন হিসাবে মতামত উপস্থাপন করেন খুলনা মৎস্য পরিদর্শক ও মান নিয়ন্ত্রক মো. মিজানুর রহমান, শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র  মৎস্য কর্মকর্তা তুষার কান্তি মজুমদার, কালিগঞ্জ সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, আশাশুনি সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সেলিম সুলতান, কলারোয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, এল্লারচর চিংড়ি চাষ প্রদর্শনীর সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, সহকারী ভ্যালু চেইন ফ্যাসিলিটেটর জিএম ফারুক হোসেন, রবিউল ইসলাম, যাদব অধিকারী।

জিকা বৈদ্যের সার্বিক ব্যবস্থাপনায়  আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য চাষি, মৎস্য উপকরণ ব্যবসায়ী, এসিআই প্রতিনিধি, মৎস্য খামারি, ডিলার উপকরণ সরবরাহকারী মাহবুব আলমসহ প্রকল্প উদ্যোক্তাবৃন্দ। 

এ সময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, সাতক্ষীরা বাগদা চিংড়ি চাষের একটি উপযোগী এলাকা। মৎস্য চাষের পূর্বে স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তাদের পরামর্শে ও নিয়মিত খাদ্য পরীক্ষা করে চাষ করতে হবে। নওয়াবেঁকি গণমুখী ফাউন্ডেশন মার্কেট লিংকেজ সিস্টেম নিয়ে মৎস্য চাষের উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের পাশাপাশি মৎস্য চাষি হতে শুরু করে ভোক্তার হাত পর্যন্ত নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের জন্য কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন, মধ্যস্বত্বভোগী যারা আছে, যারা ফরমালিন পুশ করার মাধ্যমে মাছের ওজন বৃদ্ধি করে দেশ ও দেশের বাইরে দুর্নাম রটাচ্ছে, যারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আমাদের মৎস্য অধিদপ্তরের বদনাম করে বিদেশে রপ্তানির পরে ফেরত আসছে সেই সকল চাষি ও ব্যবসায়ীদের  চিহ্নিত করতে হবে। সকল চাষিদের যথোপযুক্ত খাদ্যের গুণগত মান ঠিক রেখে যাতে বাজারজাতকরণ করে ন্যায্য মূল্য পেতে পারে সেই সকল ক্ষেত্রে সরকারি পদক্ষেপ থাকতে হবে। নওয়াবেকী গণমুখী ফাউন্ডেশনের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে সকল মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহবান জানান।

উদ্যোক্তা উর্মিলা রানী মন্ডল বলেন, উন্নত পদ্ধতিতে কার্প-গলদা মিশ্র চাষ করে সাফল্যের ছোঁয়া পেয়েছি। বর্তমানে এ পদ্ধতিতে চাষ করে কার্প-গলদা সহ সাদা মাছের ওজন বৃদ্ধি পেয়েছে। নওয়াবেঁকী গণমুখী ফাউন্ডেশনে নানা কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিভিন্ন কর্মশালার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আজ চাষে সাফল্য পেয়েছি।

ও/ডব্লিউইউ