বার্সেলোনা মাস্ক দিয়ে সাহায্য করলো সরকারকে

Published: Sun, 29 Mar 2020 | Updated: Sun, 29 Mar 2020

অভিযাত্রা ডেস্ক : করোনাভাইরাস মোকাবেলায় স্পেন সরকারকে ৩০ হাজার মাস্ক দিয়ে সাহায্য করলো স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা। চীন থেকে বানানো এসব মাস্ক এবং বার্সেলোনাকে দান করতে দিয়েছে ক্লাবটির আঞ্চলিক অংশীদার তাইপিংয়ের একটি ইনসুরেন্স কোম্পানি। বার্সেলোনার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব মাস্ক কাতালুনিয়ার বিভিন্ন নার্সিং হোমে বিতরণ করা হবে। 

এছাড়া স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে ক্লাবের পক্ষ থেকে যথাসম্ভব চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। আনুষ্ঠানিক এক বিজ্ঞপ্তিতে বার্সেলোনা লিখেছে, ‘স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে সাহায্যের কাজে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে বার্সেলোনা। 

যাতে করে স্বাস্থ্য সংস্থার সকল আদেশ, সুপারিশ এবং সিদ্ধান্তগুলোর ব্যাপারে সবাইকে সচেতন করা যায় এবং সেগুলো যথাযথভাবে পালন করা হয়।’ 

মহামারী করোনা ভাইরাসে স্পেনে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৯৮২ জন। এ ছাড়া প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে শুধুমাত্র স্পেনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৭৩ হাজারের বেশি মানুষ। দ্রুত গতির বল ঠেকালেও করোনাকে ঠেকাতে পারলেন না রুস্তমরণ ব্যাধি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। 

বিশ্বের নামি-দামি কিংবা আলোাচিত তারকারাও মহামারী আকার ধারণ করা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এই সেই তালিকায় যোগ হলো তুরস্কের কিংবদন্তি গোলরক্ষক রুস্ত রেকবারকে। 

২০০২ সালে ফুটবল বিশ্বকাপে তুরস্কের গোলরক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন রুস্ত। তার দুর্দান্ত নৈপুণ্যে দলকে তুলেছিলেন সেমিফাইনালে। 

একসময় বার্সেলোনাতেও যোগ দিয়েছিলেন। আলোচিত সেই তারকাকে এবার আক্রমণ করলো অদৃশ্য করোনা ভাইরাস। ২০০২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্রাজিলের একের পর এক শট ঠেকিয়ে দেয়া গোলরক্ষক অদৃশ্য ভাইরাস করোনাকে ঠেকাতে পারলেন না। 

এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। রুস্তের স্ত্রী ইসিল রেকবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে স্বামীর এই খারাপ সংবাদটি জানিয়েছেন। 

সেখানে তিনি লিখেন, ‘আপনাদের কোনো একটা সুখের সংবাদ জানাতে পারলে হয়তো ভালো লাগত আমার। কিন্তু সত্যের প্রতি নিষ্ঠাবান থাকতে হচ্ছে আমাকে। আমার স্বামী হাসপাতালে ভর্তি। কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছে সে। ব্যাপারগুলো এত তাড়াতাড়ি ঘটেছে যে, আমরা এখনো ধাক্কা সামলে উঠতে পারছি না। আমাদের পরিবারের অনেক কঠিন সময় এটা।’ 

রুস্তে করোনায় আক্রান্ত হলে তার স্ত্রী বলেন, ‘করোনা ভাইরাসকে হালকা করে না দেখার অনুরোধ। ‘আমি, আমার ছেলে ও মেয়ে সবার ফলাফল নেগেটিভ এসেছিল। শুধু রুস্তুরটাই পজিটিভ আসল। ও এখন একা হাসপাতালে ভর্তি আছে। আমরা চাইলেও ওর সঙ্গে দেখা করতে পারছি না। এটাই সবচেয়ে বড় কষ্টের বিষয়। 

তিনি আরও বলেন, তবে সৃষ্টিকর্তা মহান, রুস্তুও তুরস্কের ডাক্তারদের ওপর ভরসা রেখেছে। আশা করি এই কঠিন সময়টাও কেটে যাবে। ওর জন্য প্রার্থনা করবেন আপনারা। আপনারা দয়া করে করোনাভাইরাস সম্পর্কে জানুন, কেউ এটাকে হালকাভাবে নেবেন না।’

আইআর /