সত্যিকারার্থেই ২০১৯ বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলেন সাকিব

Published: Wed, 24 Jun 2020 | Updated: Wed, 24 Jun 2020

অভিযাত্রা ডেস্ক : নিজের অনবদ্য পারফর্মেন্সের জন্য সবেমাত্র টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার পাওয়ার পরিবর্তে ২০১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের শিরোপা জয়ের জন্য আগ্রহী ছিলেন বলে জানালেন দেশ সেরা অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। পুরো আসরে ব্যাট হাতে ৬০৬ রান সংগ্রহের পাশাপাশি ১১ উইকেট লাভ করেছিলেন টাইগার দলের এই অল রাউন্ডার। 

যা ক্রিকেট বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি অনন্য রেকর্ড। এর আগে কোন অল রাউন্ডার এক আসরে ৪০০ এর অধিক রান সংগ্রহের পাশাপাশি ১০টির বেশী উইকেট দখল করতে পারেননি। তবে সাকিবের ওই দুর্দান্ত পারফর্মেন্স বাংলাদেশ দলকে বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দিতে এবং টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কারের জন্য যথেষ্ঠ ছিলনা। 

জনপ্রিয় ধারাভষ্যকার হার্শা ভোগলেকে ক্রিকবাজের অনলাইন সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন,‘ যে কোন খেলোয়াড়ের জন্যই বিশ্বকাপের মত মেগা ইভেন্টে টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার পাওয়াটাও বিশাল ব্যাপার। আমার জীবনেও এ রকম একটি খেতাব প্রাপ্তি হতো সেরা অর্জন। তবে সত্যিকার অর্থে আমি ব্যক্তিগত পুরস্কারের পরিবর্তে চেয়েছিলাম ২০১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করতে।’ 

সাকিব বলেন,‘ ২০১২ সালের এশিয়া কাপে আমি সিরিজ সেরা নির্বাচিত হয়েছিলাম। যেটি ছিল আমার কাছে বিশাল অর্জন। ওই আসরে অংশ নিয়েছিলেন শচিন টেন্ডুলকার, কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়বর্ধনে, বিরেন্দর শেভাগ ও ইউনিস খানের মত মহাতারকারা। এমন একটি আসরে সিরিজ সেরার পুরস্কার সত্যিকার অর্থেই স্পেশাল কিছু। ’ 

টাইগার অল রাউন্ডার বলেন, ‘তবে আমি যেটি বলছিলাম, ২০১৯ বিশ্বকাপে টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার পেলে সেটি অবশ্যই দারুন ব্যাপার হতো, আমি এই পুরস্কারের খুব কাছাকাছিই ছিলাম।’ 

অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুন্য ও নেতৃত্ব দিয়ে দলকে ফাইনালে পৌঁছে দেয়ার স্বীকৃতি হিসেবে টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কারটি উঠেছে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের হাতে। নাটকীয় সুপার ওভারের ফাইনালে অবশ্য ইংল্যান্ডের কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছেন উইলিয়ামসন।

দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মত দলকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে দারুন সুচনা সত্বেও শেষ পর্যন্ত অস্টম স্থানে থেকে ১০ দলের আসরটি শেষ করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। 

সাকিব বলেন, ‘যোগ্য হিসেবেই পুরস্কারটি পেয়েছেন উইলিয়ামসন। তিনি যেভাবে ব্যাটিং করেছেন এবং দলকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য।’

আইআর /