শেরপুরের নকলায় ৯৯৯’এ ফোন, বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ! 

Published: Sun, 20 Sep 2020 | Updated: Sun, 20 Sep 2020

মো.মোশারফ হোসাইন, শেরপুর : শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায় ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর বাল্য বিবাহ বন্ধ করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদ। ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই ছেলে পক্ষ পালিয়ে গেলেও, উপস্থিত মেয়ে পক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি। 

তাছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে কোথাও বিয়ে দিবেন না মর্মে মেয়ের বাবাসহ অভিভাবকদের কাছে মুচলেকা নেওয়া হয়।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে মান্যবর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আনার কলি মাহবুব-এর নির্দেশনায় উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭ এর আওতায় এ বাল্য বিবাহ বন্ধ করা হয়।

প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই বর পক্ষ পালিয়ে যাওয়ায় ছেলের বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। তবে এটুকু জানা গেছে যে, বিয়ে করতে আসা বর একজন সেনা সদস্য এবং তার বাড়ি পাশের জেলার নূরুন্দী বাজারে। বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পাওয়া লাল ভানু (ছদ্দ নাম) উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের লাল মিয়ার (ছদ্দ নাম) মেয়ে এবং স্থানীয় এক স্কুলের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

নকলা উপজেলাকে বেশ আগেই জেলার প্রথম উপজেলা হিসেবে বাল্যবিবাহ মুক্ত ঘোষণা করা হলেও একজন সরকারি কর্মচারী কোন সাহসে বাল্যবিবাহ করতে আসেন এ নিয়ে এলাকার লোকজন অবাক। 

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদ বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

আইআর /