গুজরাটে ৫০-৭০ লাখ লোকের জমায়েত হবে শুনে ঘাবড়ে গেলেন ট্রাম্প!

Published: Wed, 12 Feb 2020 | Updated: Wed, 12 Feb 2020

অভিযাত্রা ডেস্ক : আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি দুইদিনের সফরে ভারত আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নয়াদিল্লি ছাড়াও আহমেদাবাদে ‘কেমছো ট্রাম্প’ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সেখানে এক মঞ্চে দেখা যাবে মোদি-ট্রাম্পকে। খবর- আনন্দবাজারের। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফর নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী ভারত। কারণ এই সফরেই বাণিজ্য, প্রতিরক্ষাসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে। আর তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেও মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ভারত সফর নিয়ে উচ্ছাসও প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, মোদি এক দারুণ ব্যক্তিত্ব। এই সফরের জন্য মুখিয়ে রয়েছি। এ মাসের শেষে ভারতে যাব। মঙ্গলবারই নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা হয়েছে বলেও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ট্রাম্প। ওই কথোপকথনের প্রসঙ্গ তুলে ট্রাম্প বলেন, মোদি জানিয়েছেন আহমেদাবাদে আমাকে অভ্যর্থনা জানাতে কয়েক লাখ মানুষ হাজির থাকবেন। 

এরপরই এ প্রসঙ্গে কৌতুকের ছলে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, আমার একটি জনসভায় যেখানে ৪০-৫০ হাজার লোক হয়, সেখানে ভারতে বিমানবন্দর থেকে স্টেডিয়াম পর্যন্ত ৫০-৭০ লাখ মানুষ ভিড় করবেন, বিষয়টা ভাবতেই অস্বস্তি লাগছে। আহমেদাবাদের মোতেরা স্টেডিয়ামেই জনসভার আয়োজন হয়েছে। সেখানেই এক মঞ্চে দেখা যাবে মোদি-ট্রাম্পকে। 

এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, জানেন, এটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়াম। মোদী বানাচ্ছেন। ভারত সফর নিয়ে ট্রাম্প উচ্ছাস প্রকাশ করার পরই কয়েক ঘণ্টা পরই টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, আমাদের মাননীয় অতিথির অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এটা একটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সফর। ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্বকে আরও মজবুত করবে এই সফর।

তবে এই সফরকে ঘিরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তি। সূত্রের খবর, ট্রাম্প চাইছেন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি এবং ডেইরি পণ্যের জন্য নরেন্দ্র মোদি ভারতের বাজার আরও বেশি করে খুলে দিন। পাশাপাশি মোদি সরকার হৃৎপিন্ডের স্টেন্টের দামের যে ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দিয়েছে, তা তুলে নেওয়া হোক, এমনটাও চাইছেন ট্রাম্প। একইভাবে মোদি সরকার চাইছে, ভারত থেকে রপ্তানি করা ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম থেকে বাড়তি শুল্ক তুলে নিন ট্রাম্প। ভারতের কৃষি ও ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের জন্য আরও বেশি করে মার্কিন বাজার খুলে দেওয়া হোক। গত কয়েক বছর ধরেই বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দুই দেশই।

-এমজে