যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২১ সৌদি সেনাকে বহিষ্কার

Published: Tue, 14 Jan 2020 | Updated: Tue, 14 Jan 2020

মার্কিন নৌবাহিনীর একটি বিমান ঘাঁটিতে অস্ত্র নিয়ে এক সৌদির হামলার চালানো প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সৌদি সামরিক বাহিনীর ২১ সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তবে বহিষ্কৃত সদস্যদের বিরুদ্ধে হামলাকারী সৌদি বিমান বাহিনীর ওই লেফটেন্যান্টকে সাহায্য করেছিলেন বলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিন্তু তারপরও তাদের বহিষ্কার করা হয়।

এর কারণ হিসেবে বহিষ্কৃতদের কাছে জিহাদি উপাদান ও শিশুদের অশ্লীল ছবি পাওয়া যাওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার। খবর- বিবিসির।

জানা গেছে, গত ৬ ডিসেম্বর ফ্লোরিডার পেন্সাকোলা নৌ-বিমান ঘাঁটিতে সৌদি বিমান বাহিনীর সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট মোহাম্মেদ সায়ীদ আলশামরানি (২১) গুলি করে তিন মার্কিন নাবিককে হত্যা ও আরও আট জনকে আহত করেন। হামলার এক পর্যায়ে একজন মার্কিন ডেপুটি শেরিফের পাল্টা গুলিতে আলশামরানি নিহত হন। 

এফবিআই জানিয়েছে, ঘটনাটি আলশামরানি একাই ঘটিয়েছেন বলে বিশ্বাস মার্কিন তদন্তকারীদের। এ ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি সামরিক সদস্যদের প্রশিক্ষণ স্থগিত রাখা হয়।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাটর্নি জেনারেল বার নৌ-বিমান ঘাঁটির ওই হামলার ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসবাদী কাজ’ বলে মন্তব্য করেছেন।

তিনি জানান, বহিষ্কৃত সামরিক প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ১৭ জনের কাছে অনলাইন থেকে সংগ্রহ করা সন্ত্রাসবাদী উপদান পাওয়া গেছে আর ওই ১৭ জনের মধ্যে কয়েকজনসহ ১৫ জনের কাছে শিশুদের অশ্লীল ছবি পাওয়া গেছে।

এই ২১ সৌদি সামরিক প্রশিক্ষণার্থীকে বহিষ্কার করে সোমবার দেশে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। বহিষ্কৃতরা এফবিআইয়ের তদন্তে পূর্ণভাবে সহযোগিতা করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তদন্তে সৌদি আরব ‘পূর্ণ’ সমর্থন দিয়ে সহযোগিতা করেছে বলেও বার জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রে বহিষ্কৃতদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনের কোনো অভিযোগ আনা হয়নি, কিন্তু দেশে ফিরলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হতে পারে।

-এমজে