তাড়াশে প্রতারকের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

Published: Sun, 20 Sep 2020 | Updated: Sun, 20 Sep 2020

জাকির আকন, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ): চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ সহ ৫টি উপজেলায় শতাধিক বেকার কাছে থেকে শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এমন অভিযোগে প্রতারক মিজানুর রহমান ওরফে মিজান মাষ্টারের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন করেন ভূক্তভোগীরা। শনিবার ( ১৯ সেপ্টম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাড়াশ প্রেসক্লাব চত্বরে ওই মানববন্ধনে অংশ নেন এলাকার প্রতারিত হওয়া চাকুরী প্রার্থী ও তাদের স্বজনরা।  

মানববন্ধনে বক্তাগণ বলেন, উল্লাপাড়া উপজেলা ফাজিলনগর গ্রামের রোকনুজ্জামানের ছেলে  মিজান মাস্টার (৪৪) তাড়াশের নওগাঁ বাজারে বসবাস করেন। পাবনার ভাঙ্গুরা উপজেলার একটি বেসরকারী কলেজের শরীর চর্চা শিক্ষক পদে চাকুরি করলেও প্রতারণাই তার ব্যবসা। 

তাড়াশ উপজেলাসহ চলনবিলের  উল্লাপাড়া, ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর, গুরুদাসপুর  উপজেলার মিজান মাস্টার এলাকার শতাধিক চাকুরী প্রার্থী বেকারদের কাছ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, স্কুল কলেজের নিববন্ধন, ব্যাংক, বীমা সহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী দেয়ার কথা বলে  প্রায় শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। 

এছাড়া এলাকায় জায়গা জমি জবর দখল করার অভিযোগ ও রয়েছে । গত ২০১৯ সালের ২৩ জুন রাজশাহীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষার উত্তরপত্র সরবরাহের অভিযোগ তাকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ আটক হয়ে জেল হাজতে  পাঠিয়েছিল প্রতারক মিজানকে।

মিজানের গ্রেফতারে সংবাদ স্থানীয়, জাতীয় ও বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে সে সংবাদ প্রকাশিত হলেও তার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তাড়াশ উপজেলার পংরৌহালী গ্রামের শফিকুল ইসলামের নিকট থেকে ১০ লক্ষ, উল্লাপাড়া উপজেলা চেংটিয়া গ্রামের নজরুলের নিকট ৯ লক্ষাধিক ও তাড়াশ উপজেলা ঘরগ্রামের সাইদুর রহামানের নিকট ৬ লক্ষ ৫০ হাজার সহ ২৪ জনের নিকট তেকে প্রায় কয়েক শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ আছে প্রতারক মিজানের বিরুদ্ধে । 

মানববন্ধন থেকে  পুলিশ প্রশাসনের নিকট মিজানকে গ্রেফতার করে বেকার যুবকদের কাছ থেকে নেয়া টাকা উদ্ধারের জোর দাবী জানানো হয়। এ বিষয়ে হাইকোর্ট থেকে জামিন নেওয়া  প্রতারক মিজানের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

আরআর#