মৃত ব্যক্তির নামে চিলমারীতে সরকারিভাবে ধান ক্রয়ে

Published: Mon, 20 Jan 2020 | Updated: Mon, 20 Jan 2020

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের লটারিতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তালিকার লটারীতে মৃত ব্যক্তির নামসহ নানান অভিযোগ। জমিজমা না থেকেও লটারিতে নাম বিজয়ী হয়েছে অনেক কৃষক। কৃষকের বদলে সিন্ডিকেট কৌশল অবলম্বনে দালাল-ফড়িয়ারা ধান দিচ্ছেন সরকারি গুদামে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর সুত্র বলছে, চিলমারী উপজেলায় চলতি বছরে আমন ধান ২৬ টাকা কেজি দরে ৮৮১ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত ধান সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে। কর্তৃপক্ষের সিন্ধান্ত মোতাবেক লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা হলেও তালিকায় ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া যায়। এছাড়াও লটারীতে এমন কৃষকের নাম উঠেছে যার বিন্দুমাত্র জমিও নেই। শুধু তাই নয় মৃত্যু ব্যক্তির নামও তালিকায় প্রকাশ পায়। সরকারিভাবে ধান ২৬ টাকা কেজি দরে দাম নির্ধারণ করে ক্রয় করা হলেও এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত কৃষকরা। 

শুধু তাই নয় সিন্ডিকেটের লোকজন কৌশলে কৃসকদের কাছ থেকে কৃষি কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি এবং ব্যাংক হিসাবের চেক হাতিয়ে নিচ্ছে। ব্যাংক হিসাব না থাকা কৃষকদের ব্যাংক হিসাবও খুলে দিচ্ছেন সিন্ডিকেটরা।

 এ ব্যপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কুমার প্রণয় বিষাণ দাস বলেন, তালিকাগুলো অনেক আগে করা হয়েছে। তাই এ রকম হতে পারে । কিন্তু মৃত ব্যক্তির নাম কিভাবে আসলো তা ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ দিকে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, কৃষকরাই ধান নিয়ে আসছে গুদামে । যদি এমন অভিযোগ থাকে তাহলে সেটিই আমাদের কৃষি অফিসার দায়ি। কারণ কৃষক তালিকা তৈরী সম্পুর্ন কৃষি অফিসের দায়িত্ব। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ, ডব্লিউ, এম রায়হান শাহ্ বলেন, কৃষি অফিসের তালিকা অনুযায়ী লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা হয়েছে, লটারীতে নির্বাচিত কৃষকদের কাছ থেকেই ধান নেয়া হচ্ছে। কৃষকদের বদলে ফড়িয়া বা দালাল সিন্ডিকেট বা তালিকায় কোন প্রকার অনিয়ম থাকলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে’।

আইআর /