ফ্লু থেকে সুরক্ষা পাবেন যেভাবে

Published: Mon, 10 Feb 2020 | Updated: Mon, 10 Feb 2020

অভিযাত্রা ডেস্ক : শীতের শেষ চলছে। আর কিছুদিন পরই আসবে বসন্ত। ঋতু পরিবর্তনের এ সময় অনেকেই ফ্লুতে আক্রান্ত হন। বিশেষ করে প্রকৃতিতে তাপামাত্রার ওঠানামা কারণে কারও কারও গলা ব্যথা, বুকে কফ জমা, জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, মাথা ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।  অনেকেই এ ধরনের ফ্লু নিরাময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ সেবন করেন। তবে এ সমস্যা নিরাময়ে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতির তুলে ধরেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।  চলুন দেখে নেই তার কিছু পরামর্শ-

লবণ পানি দিয়ে কুলিকুচি : হালকা গরম পানির সঙ্গে লবণ মিশিয়ে কুচিকুচি করলে গলা ব্যথা কমে। সেই সঙ্গে বুকে জমে থাকা কফ পরিষ্কার হয়। লবণ পানি গলার অস্বস্তি দূর করে গলা পরিষ্কারে ভূমিকা রাখে। এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে ১ থেকে ২ চামচ লবণ যোগ করে দিনে তিনবার এটি দিয়ে কুলিকুচি করুন। 

অ্যাসেন্সিয়াল অয়েল : ফ্লু নিরাময়ের ক্ষেত্রে অ্যাসেন্সিয়াল অয়েল যেমন- দারুচিনি, গোলমরিচ, লেবু, ইউক্যালিপটাস এবং থাইমের তেল বেশ কার্যকরী। তবে এসব তেল খাওয়া যাবে না। ফ্লু নিরাময়ের জন্য কয়েক ফোটা অ্যাসেন্সিয়াল তেল হাতে নিয়ে গলা ও নাকে ম্যাসাজ করুন। এতে অনেকটা সুস্থ বোধ করবেন। 

জিঙ্কের পরিমাণ বাড়ান : ফ্লুয়ের লক্ষণ দেখা দিলে জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান। এ উপাদানটি শরীরে শ্বেতকণিকার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। চিকিৎসকের পরামর্শে জিঙ্ক সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। এ ছাড়া শরীরে জিঙ্কের পরিমাণ বাড়াতে লাল মাংস, মসুর ডাল, শিম, বীজ, ডিম ইত্যাদি খাবার খেতে পারেন।  

মধু : মধুতে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যেকোন ধরনের ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, মধু যেকোন ধরনের ফ্লু প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে দুই চামচ মধু যোগ করে খেলে গলা ব্যথা কিংবা কফ নিরাময়ে আরামবোধ করবেন। 

রসুন : হাজার বছর ধরে বিভিন্ন অসুখ নিরাময়ে রসুন সুপারফুড হিসেবে কাজ করে। এতে থাকা অ্যালিসিন এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে। গবেষণা বলছে, রসুন শুধুমাত্র অসুস্থ হওয়ায়ই প্রতিরোধ করে না, সেই সঙ্গে অসুস্থের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত সারায়। 

অন্যান্য : এসব ছাড়াও ফ্লু প্রতিরোধে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার পানি, তরল খাবার, ভেষজ চা পান করতে পারেন। সেই সঙ্গে মসলাযুক্ত এবং তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

ও/এসএ/