আন্তর্জাতিক আইনের নির্লজ্জ লঙ্ঘন

Published: Mon, 13 Jan 2020 | Updated: Mon, 13 Jan 2020

মোহাম্মদ আবু নোমান : নিজ বাড়ির আমন্ত্রিত অতিথিকে অন্য কেউ জেনে-বুঝে হত্যা করতে পারে না। কোনো স্বাধীন দেশের জেনারেলকে যুদ্ধ ছাড়াই এবং রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে বিদেশ সফরকালে হত্যার নতুন রেকর্ড করলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি আন্তর্জাতিক আইনের নির্লজ্জ লঙ্ঘন বলে আমরা মনে করি।

ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদিল আবদুল মাহদির আমন্ত্রণে বাগদাদে সফরে এসেছিলেন। ইরাকি প্রধানমন্ত্রী এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘কাসেম সোলাইমানি বাগদাদের আমন্ত্রণে ইরাক সফরে এসে আমার সাথে সাক্ষাৎ করার কথা ছিল।’

সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডে গোটা দুনিয়ায় বিরাট ঝাঁকুনি সৃষ্টি করেছে। সঙ্গত কারণেই এ ঘটনার অনেক বড় প্রভাব পরেছে ইরাকেও। ইরাকের মোকতাদা আল সদরসহ যারা ইরান প্রভাবিত ইরাক সরকার গঠনের বিরোধিতা করে আসছিলেন, তারা আমেরিকার এই হামলার পর অবস্থান পরিবর্তন কবে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ইরাকের পার্লামেন্টের জরুরি অধিবেশনে ইরাক থেকে দখলদার মার্কিন সেনা বহিষ্কার করার বিলও পাস হয়েছে। 

কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন তিনি শান্তি চান! আসলেই কি তিনি শান্তি চান? নিজের দেশের ভেতরে নানা কারণে বিতর্কিত ট্রাম্প। প্রতিনিধি সভায় অভিশংসন প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়া, ট্রাম্প ইরানের দুই নাম্বার ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত, বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আল কুদস প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যার মধ্য দিয়ে নিজের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে চেয়েছেন বলে মনে হয়। তবে এবার ঘটনাটির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্পের সে লক্ষ্য অর্জিত হবে কি না সংশয় রয়েছে।

যুদ্ধের বিপদ সম্পর্কে বিশ্বের প্রতিটি মানুষের জানা আছে। যুদ্ধে সব পক্ষেরই ক্ষতি, কারো কোনো লাভ নেই। বিশ্ব জনগোষ্ঠীর কেউই কোনো যুদ্ধ চান না। তাই বেশির ভাগ দেশের সরকার সোলাইমানির হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে বলেছে, এটি আন্তর্জাতিক আইনের নির্লজ্জ লঙ্ঘন। যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং সিনেটের কয়েকজন সদস্য বলেছেন, এই হত্যাকাণ্ডে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুমোদন দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের আইনের চরম লঙ্ঘন।’ আমরা যদি মানবিক হই, তবে বলতেই হবে ট্রাম্পের এই হত্যাকাণ্ডের অনুমোদনে অনুসৃত হয়েছে ও অবলম্বিত হয়েছে ‘জঙ্গলের আইন’। সভ্য জগতের আইন-কানুন ও নিয়মনীতির বিন্দুমাত্র উপস্থিতি এখানে নেই।

ইতোমধ্যে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেমোক্র্যাট দলের নেতা ও প্রতিনিধি সভার স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে অগ্নিকুণ্ডলীতে ডিনামাইট মারার কাজটি হয়েছে। এভাবে সার্বিক অবস্থা যে সম্পূর্ণ বিপরীতে চলে যাবে তা হয়তো ট্রাম্প প্রশাসন বুঝতে পারেনি। অধিকন্তু এই প্রথমবারের মতো মার্কিন জনমত, কংগ্রেস এবং বিচার বিভাগ সরাসরি যুদ্ধের বিরুদ্ধে। এছাড়াও, বিশ্ব নেতৃবৃন্দের বেশির ভাগই ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পে নিজেই বলেছেন, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপে ইউরোপের কেউ পাশে দাঁড়াচ্ছে না। শুধুমাত্র উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম হলো কেবল ইসরাইল ও এর অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আমেরিকার ভূ-রাজনৈতিক কৌশল হলো মুসলিম বিশ্বে বিবদমান শক্তি ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে লালন করে যাওয়া। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, সোলাইমানির হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে ইরানের শাসন পরিবর্তনে আমেরিকা-ইসরাইলের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন অনেকটাই অসম্ভব হয়ে গেলো।

ইরানের কৌশলগত মিত্র রাশিয়া-চীন-তুরস্ক মার্কিন আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছে এবং ‘যেকোনো পরিস্থিতিতে’ ইরানের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে। ইরানের মিত্র বলে পরিচিত অন্যান্য দেশও ইরানকে মদদ দিচ্ছে। ফলে আফগানিস্তান থেকে ইরান-ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন ও কাতারকেন্দ্রিক যে ভূখণ্ডগত সুবিধা এবং ওই সব দেশের জনগণের নিরঙ্কুশ সমর্থন যেভাবে তেহরানের পক্ষে রয়েছে, তাতে ইরানকে দমানো সম্ভব নয় বলে মনে হচ্ছে।

ইতোপূর্বে ইরান ঘোষণা দিয়েছে তারা ৬ জাতি পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে আসছে। দেশটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তেহরান আর পারমাণবিক কর্মসূচিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, মজুদ, গবেষণা ও উন্নয়ন সীমিত রাখার শর্ত মেনে চলবে না। এর অর্থ পরিস্কার, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির প্রক্রিয়ায় নিজেদের আরও জড়িত করবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র তথা ইসরায়েলের ভয়ের কারণ। এটি সবাই বুঝে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যুদ্ধে যেতে ইসরায়েলি লবির প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যে প্রভাব বলয় সৃষ্টি করছে তার ‘মূল কারিগর’ এই কাশেম সোলাইমানি। ইরাকে তেহরানের প্রভাব সৃষ্টি, সিরিয়ায় ও লেবাননে প্রভাব, ইয়েমেনের বিদ্রোহী হুতিদের সাথে যোগাযোগ- সবই কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির ‘সামরিক কারুকাজ’। জানা যায়, সিরিয়া, লেবানন, ইরাক ও ইয়েমেনে যেসব অপারেশন পরিচালিত হয়েছে তার ‘মাস্টারমাইন্ড’ মনে করা হয় কাসেম সোলাইমানিকে। কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা, পরবর্তীতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইউক্রেনের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ১৭৬ জনের প্রাণহানী দুঃখজনক। মূল্যত দুটি ঘটনাই ট্রাম্পের হঠকারিতায় সৃষ্ট সঙ্কট। এখনো উদ্ধত ট্রাম্পের মধ্যে শান্ত ও নমনীয় হওয়ার লক্ষণ নেই। উল্টো আরো সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ইরান যদি মার্কিন স্বার্থ ও সম্পদের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুত প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা করে তবে ইরানের ৫২টি গুরুত্বপূর্ণ স্থান তাদের নিশানায় রয়েছে, যেগুলোতে খুব কঠোরভাবে হামলা করা হবে। 

যদিও ইউক্রেনের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনাকে ‘অমার্জনীয় ভুল’ বলে উল্লেখ দুঃখ প্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়া নিয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিমানটি বিধ্বস্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাও হতে পারে। একই মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

কাসেম সোলাইমানির মৃত্যু ইরানের জন্য নিঃসন্দেহে অনেক বড় ক্ষতি। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের প্রক্সি মিলিশিয়া নেটওয়ার্ক নির্মাণে তার বিরাট ভূমিকা রয়েছে। বিশেষত, সিরিয়ায় বাশার আল আসাদের শাসনকে টিকিয়ে রাখা, লেবাননে হিজবুল্লাহকে একটি দুর্দমনীয় বাহিনীতে রূপান্তর, ইয়েমেনে আনসারুল্লাহ বাহিনীকে সংগঠিত করা ও শক্তি জোগানোতে বড় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। এছাড়া ইরান অ্যাসিমেট্রিক যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী। কাজেই এসব বাহিনীকে ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব জায়গায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাঘাঁটি ও স্থাপনা রয়েছে, তার ওপর আঘাত হানতে পারে। সোলেইমানির হত্যাকে কেন্দ্র করে যদি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বেধে যায়, তাহলে সমগ্র এলাকায় জ্বালানি তেল উৎপাদনে মারাত্মক ক্ষতি হবে। যার প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতিতে। আর এ যুদ্ধ শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যেই সীমিত থাকবে না, তা ছড়িয়ে পড়বে বিভিন্ন অঞ্চলে, এমনকি হতে পারে সমগ্র বিশ্বেও। 

ইরান এবং ইসরাইলের মধ্যে বৈরিতা বহুদিনের। ইসরাইল মনে করে, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সবচেয়ে বড় হুমকি ইরান। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ইসরায়েলের একটি বড় স্ট্র্যাটেজি রয়েছে। পেন্টাগনের কট্টরপন্থি ইসরায়েলি লবি ও অস্ত্র ব্যবসায়ীরা মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি যুদ্ধ চায়। যুদ্ধ হলেই অস্ত্রের চাহিদা বাড়বে, লাভবান হবে অস্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী সর্বাত্মক একটি যুদ্ধের অংশ হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্র ভারত মহাসাগরের দিয়াগো গার্সিয়ায় তাদের যে সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেখানে ছয়টি বি-৫২ দীর্ঘ পাল্লার বোমারু বিমান পাঠিয়েছে। এর আগে সেখানে ৪ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়। ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ আবু গারাইব, কাদিমিয়া, সাইকেস, ক্যাপ তাজি, বালাদ এয়ার বেস, ভিক্টরি বেস কসপ্লেকস। বাহরাইনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিটের সদর দপ্তর। এ ছাড়া সৌদি আরবে রয়েছে একাধিক ঘাঁটি। যুক্তরাষ্ট্রকেও মনে রাখতে হবে, এসব ঘাঁটি সম্ভাব্য ইরান আক্রমণে লণ্ডভণ্ড হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, উত্তেজনা যতই বাড়ুক না কেন, ইরান চাইবে না যুদ্ধকে তার নিজ ভূখণ্ডে নিয়ে আসতে। এ জন্য ইরান প্রতিশোধ গ্রহণের কাজটি প্রক্সি শক্তির মাধ্যমেই করেছে। এটি সত্য- ইরান শক্তিশালী ওয়ার মেশিনারিসমৃদ্ধ একটি আঞ্চলিক শক্তি, যা বহু বছরের চেষ্টায় গড়ে তোলা হয়েছে যেকোনো সামরিক আক্রমণ প্রতিরোধের লক্ষ্য নিয়ে। এর সামরিক ও প্রাযুক্তিক শক্তিমত্তা ইরানকে করেছে অনন্য এক দেশ। তারপরও ইরান সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে না গিয়ে ছোটখাটো গোষ্ঠীর মাধ্যমে আক্রমণের মধ্যে সীমিত থেকেই আমেরিকাকে থামাতে চাইবে। এ পর্যন্ত ইরানের তৎপরতায় এমনটি মনে হচ্ছে। আর সে লক্ষ্যেই সুলেইমানি হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ হিসেবে ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ১২টি রকেট হামলা চালিয়েছিল ইরান। ধারণা করা হয়েছিল, এরপর যুক্তরাষ্ট্রও ইরানে হামলা চালাবে। কিন্তু তা হয়নি। ট্রাম্প এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, তিনি যুদ্ধ নয়, শান্তি চান। কিন্তু এটা তার মনের কথা কি না সে ব্যাপারে অনেকেই সন্দিহান। অতীত অভিজ্ঞতা বলে, তার কথা ও কাজের মধ্যে কোনো মিল নেই।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতি যদি সংঘাতের দিকে চলে যায়, তাহলে তা বাংলাদেশের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হবে। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন। যেকোনো ধরনের সংঘাত হলে তাঁদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে। মধ্যপ্রাচ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ ব্যাপক হারে কমে গেলে রেমিট্যান্সনির্ভর আয়ে ধস নামাসহ এর ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। এর ফলে সম্ভাব্য যে অর্থনৈতিক এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়া হবে, তার বিশ্লেষণ করা এখনই আমাদের জন্য জরুরি। কেননা, যুদ্ধ জিনিসটা একবার শুরু হলে, তা বন্ধ করার সুইচ সাধারণত আর হাতে থাকে না। তা ছাড়া ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, লিভিয়া ও ইরাকসহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে কথিত সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের নামে যুক্তরাষ্ট্র জারি রেখেছে ভয়াবহ অমানবিক থাবা। এতে হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে এবং হচ্ছে অগণিত মানুষ। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যাতে শান্ত ও যুদ্ধ যেন অপরিহার্য না হয়, সেটাই আমাদের কাম্য। দুই পক্ষকেই যুদ্ধ পরিহার করে আলোচনার পথ ধরতে হবে, তবে এ সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে। কারণ, এ সংকটের মূলে রয়েছেন ট্রাম্প। তিনি যদি সঠিক সিদ্ধান্ত না নেন, তবে বিশ্বব্যাপী নতুন ও বিপজ্জনক সঙ্কট তৈরি হবে।

এসএ/